WFTW Body: 

"ধার্ম্মিকদের পথ প্রভাতীয় জ্যোতির ন্যায়, যাহা মধ্যাহ্ন পর্য্যন্ত উত্তরোত্তর দেদীপ্যমান হয়।" (হিতোপদেশ ৪:১৮)

এটি আসলে একটি নতুন নিয়মের প্রতিশ্রুতি। আমরা জানি যে একজন ব্যক্তি কেবল তখনই ধার্মিক হয় যখন সে খ্রীষ্টে বিশ্বাস করে, যখন তার পাপ ক্ষমা করা হয় এবং ঈশ্বর তাকে ধার্মিক বলে ঘোষণা করেন, খ্রীষ্টের ধার্মিকতার পোশাক পরে তাকে ধার্মিক বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু, ঈশ্বরের ইচ্ছা নয় যে তার জীবন কেবল সূর্যোদয়ের মতো হোক। এটি বলে, "ধার্মিকদের পথ সূর্যোদয়ের মতো..." কিন্তু আপনি জানেন যখন সূর্য ওঠে, তখন আলো থাকে, কিন্তু সূর্য এখনও তার উজ্জ্বলতম স্তরে থাকে না। আকাশে সূর্য ওঠার কথা ভাবুন; দুপুরের অবস্থান পর্যন্ত, যখন নিখুঁত উজ্জ্বলতা থাকে, এই আলো উজ্জ্বল থেকে আরও উজ্জ্বলতর হতে থাকে। আমরা বলতে পারি সূর্য ওঠার সাথে সাথে ছায়া কমে যায়; আমাদের আত্ম-জীবনের ছায়া ক্রমাগত কমতে থাকে, কমতে থাকে, কমতে থাকে, এবং অবশেষে সূর্য যখন মাথার উপরে থাকে যেখানে ছায়া সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায়। এবং এটাই আমাদের জন্য ঈশ্বরের ইচ্ছা। আমরা যখন থেকে নতুন জন্ম লাভ করি, তখন থেকে ঈশ্বরের ইচ্ছা নয় যে তাঁর কোনও সন্তানের উত্থান-পতনের অভিজ্ঞতা হোক।

এখন, বেশিরভাগ খ্রীষ্টানেরই উত্থান-পতনের অভিজ্ঞতা থাকে, এবং যখন আমরা শুনি যে অন্যদের উত্থান-পতনের অভিজ্ঞতা হয়, এবং কোনও প্রচারকের উত্থান-পতনের অভিজ্ঞতা হয়, তখন আমরা আমাদের পরাজয়ে সান্ত্বনা পাই। আমরা আমাদের মানদণ্ড ঈশ্বরের বাক্যের পরিবর্তে কোনও জাগতিক বিশ্বাসী বা কোনও জাগতিক প্রচারকের কাছ থেকে পাই, যা (ঈশ্বরের বাক্য) বলে যে ধার্মিকদের পথে উত্থান-পতন নাই।এটি উজ্জ্বল এবং তারপর অন্ধকার, এবং তারপর আবার উজ্জ্বল তারপর আবার অন্ধকার নয়। পাহাড়ের চূড়ায়, তারপর আবর্জনার স্তূপে। প্রভুর প্রশংসা করে আনন্দিত, তারপর পরের দিন বিষণ্ণ ও দুঃখী। যদি আমাদের অভিজ্ঞতা এমনই হয়, তাহলে আমি কেবল বলতে চাই যে এটি ঈশ্বরের ইচ্ছা নয়। এটি ধার্মিকদের পথ নয়। যদি কোনও ব্যক্তি সেই পথে হাঁটে, তাহলে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে পারি যে সে ধার্মিকদের পথে হাঁটছে না।

নতুন নিয়মে ধার্মিকদের পথকে "নতুন ও জীবন্ত পথ"বলা হয়েছে। এটি বোঝার মতবাদ নয়; এটি ধার্মিকদের পথ। এখন, আমরা এমন লোকদের কথা শুনতে পাই যারা নতুন ও জীবন্ত পথে বিশ্বাস করে। এই সপ্তাহে আমি এমন একজনের সম্পর্কে একটি চিঠি পেয়েছি যিনি "নতুন ও জীবন্ত পথের ভাই ও বোন" সম্পর্কে কথা বলেছেন। নতুন ও জীবন্ত পথের ভাই বা বোন কী? খ্রীষ্টান ফেলোশিপ চার্চে বসে এমন কেউ নন। যে ব্যক্তি মতবাদ বোঝে না, বরং যে ব্যক্তি উপরে ও নিচে যাচ্ছে না। যে ব্যক্তি উপরে ও নিচে যাচ্ছে সে নতুন ও জীবন্ত পথে নেই; এটাই পুরাতন মৃত পথ। নতুন ও জীবন্ত পথ আরও উজ্জ্বল, উজ্জ্বল, উজ্জ্বল, উজ্জ্বল। নতুন নিয়মে এটাই একমাত্র নতুন ও জীবন্ত পথের কথা বলা হয়েছে: ধার্মিকদের পথ। এই "আবর্জনার মধ্যে" জিনিসটি কেবল প্রমাণ করে যে আমরা মতবাদটি বুঝতে পেরেছি, কিন্তু আমরা আসল পথে মোটেও প্রবেশ করিনি।

ধার্মিকদের পথ সূর্যোদয়ের মতো যা উজ্জ্বল থেকে আরও উজ্জ্বলতর হয়ে ওঠে; এবং সূর্য আগে-পিছে করে যায় না। এটি হঠাৎ করে তার মন পরিবর্তন করে না। এটি কেবল স্থিরভাবে চলতে থাকে, এবং এটাই আমাদের জীবনের জন্য ঈশ্বরের ইচ্ছা, ভাই ও বোনেরা। এটাই ঈশ্বরের ইচ্ছা যে আমাদের জীবন ভাল থেকে আরও ভালো, আরও ভালতর হয়ে ওঠুক। এর অর্থ হল, আমার দেহে/ মাংসে যা বাস করে তার উপর আমি ক্রমশ আলোকপাত করছি। আমার দেহে যা আছে তার উপর এখন আমি আলোকপাত করছি, যা ৬ মাস আগেও আমি জানতাম না। যদি আমরা আলোকপাত করার অবস্থায় না থাকি, তাহলে আমরা ধার্মিকদের পথে নই। আসুন আমরা এটি খুব স্পষ্টভাবে শিখি যাতে আমরা কেবল কিছু মতবাদ বুঝতে পেরে নিজেদেরকে প্রতারিত না করি। না; এটি সেই পথ যেখানে আলো আরও উজ্জ্বল থেকে আরও উজ্জ্বলতর হয়, আরও উজ্জ্বলতর থেকে আরও উজ্জ্বলতর হয়, যেখানে আমি আমার দেহে আরও বেশি আলো পাই। অথবা যেমন ১ যোহন ১:৭ বলে, "তিনি যেমন জ্যোতিতে আছেন, আমরাও যদি তেমনি জ্যোতিতে চলি...।" ঈশ্বর আলো, এবং যদি আমি সেই আলোতে চলি, আমি ঈশ্বরের যত কাছে যাই; আলো আরও উজ্জ্বল এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠছে। এর অর্থ হল আমি আমার দেহে যা বাস করে তার উপর আরও বেশি আলোকিত হচ্ছি। আমি আমার জীবনে আরও বেশি মৃত্যু আনতে সক্ষম এবং আমি জ্ঞানী হয়ে উঠছি। এভাবেই প্রভু যীশু জ্ঞানে বেড়ে উঠেছিলেন: তিনি নতুন এবং জীবন্ত পথে চলেছিলেন। লূক ২:৫২ পদে বলা হয়েছে যে তিনি জ্ঞানে বেড়ে উঠলেন। এবং পবিত্র আত্মার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে শলোমন এখানে (হিতোপদেশ ৪:১৮) এটাই বলছেন।

২ করিন্থীয় ৩:১৮ পদে বলা হয়েছে যে পবিত্র আত্মা আমাদের প্রভু যীশুর মহিমা দেখান। সেই মহিমা হলো একটি আলো, এবং পবিত্র আত্মা যখন আমাদেরকে সেই একই রূপে মহিমা থেকে মহিমায় রূপান্তরিত করেন, তখন আমাদের জীবনে তা ক্রমশ উজ্জ্বলতর হয়ে ওঠে। হিতোপদেশ ৪:১৮ হল পুরাতন নিয়মের পদ যা ২ করিন্থীয় ৩:১৮ এর সাথে মিলে যায়। আপনি যদি এই পদটি বুঝতে চান, তাহলে আপনাকে নতুন নিয়মের অনুরূপ পদ, ২ করিন্থীয় ৩:১৮ পড়তে হবে এবং সেখানে দেখতে হবে, "...তেজ হইতে তেজ পর্যন্ত "।

আমরা আপনাদের সকলকে ২০২৬ সালের জন্য শুভকামনা জানাই - কারণ পবিত্র আত্মা আপনাদেরকে প্রভু যীশুর মতো তেজ হইতে তেজ পর্যন্ত রূপান্তরিত করবেন।