১. ঈশ্বর আমাদের তেমনই ভালোবাসেন যেমন তিনি যীশুকে ভালোবেসেছিলেন
"আমাকে যেমন প্রেমও করিয়াছ, তেমনি তাহাদিগকেও প্রেম করিয়াছ" (যোহন ১৭:২৩)।
২. ঈশ্বর সৎ মানুষদের ভালোবাসেন।
"তিনি যেমন জ্যোতিতে আছেন, আমরাও যদি তেমনি জ্যোতিতে চলি, তবে পরস্পর আমাদের সহভাগিতা আছে" (১ যোহন ১:৭)।
৩. ঈশ্বর আনন্দচিত্তে দানকারীদের ভালোবাসেন
"ঈশ্বর হৃষ্টচিত্ত দাতাকে ভালোবাসেন" (২ করিন্থীয় ৯:৭)।
৪. প্রভুযীশুর প্রতি দৃষ্টি রাখলে পবিত্রতা লাভ করা যায়
"আইস, আমরাও সমস্ত বোঝা ও সহজ বাধাজনক পাপ ফেলিয়া দিয়া ধৈর্য্যপূর্ব্বক আমাদের সম্মুখস্থ ধাবনক্ষেত্রে দৌড়ি; বিশ্বাসের আদিকর্ত্তা ও সিদ্ধিকর্ত্তা যীশুর প্রতি দৃষ্টি রাখি" (ইব্রীয় ১২:১,২)।
৫. আমাদের সর্বদা পবিত্র আত্মায় পূর্ণ থাকতে হবে
"আত্মায় পূর্ণ হও" (ইফিষীয় ৫:১৮ - আক্ষরিক)।
৬. ক্রুশের পথই হলো জীবনের পথ
"আমরা যদি তাঁহার সহিত মরিয়া থাকি, তাঁহার সহিত জীবিতও হইব" (২ তীমথিয় ২:১১)।
৭. লোকেদের মতামত যেন আমাদের নিরুৎসাহিত না করে
"তোমরা মনুষ্যের আশ্রয় ছাড়িয়া যাও, যাহার নাসাগ্রে প্রাণবায়ু; ফলে সে কিসের মধ্যে গণ্য?" (যিশাইয় ২:২২)।
৮. এই জগৎ যা মূল্যবান মনে করে, ঈশ্বর তা ঘৃণা করেন
"মনুষ্যদের মধ্যে যাহা উচ্চ, তাহা ঈশ্বরের সাক্ষাতে ঘৃণিত" (লূক ১৬:১৫)।
"যাহারা অর্থকে প্রেম করে ও ধনী হইতে বাসনা করে, তাহারা (১) প্রলোভনে পড়বে; (২) ফাঁদে পড়বে; (৩) মূর্খতাপূর্ণ আকাঙ্ক্ষায় পড়বে; (৪) ক্ষতিকর আকাঙ্ক্ষায় পড়বে; (৫) ধ্বংসের অতলে তলিয়ে যাবে; (৬) বিনাশের পথে নিমজ্জিত হবে; (৭) বিশ্বাস থেকে বিচ্যুত হবে; (৮) নিজেদের বহু যন্ত্রণায় বিদ্ধ করবে।" (১ তীমথিয় ৬:৯,১০)।
৯. আমরা নিজেরা ছাড়া আর কেউ আমাদের ক্ষতি করতে পারে না
"যদি তোমরা সদাচরণের পক্ষে উদ্যোগী হও, তবে কে তোমাদের হিংসা করিবে?" (১ পিতর ৩:১৩)
১০. আমাদের প্রত্যেকের জীবনের জন্য ঈশ্বরের একটি নিখুঁত পরিকল্পনা রয়েছে
"খ্রীষ্ট যীশুতে সৎক্রিয়ার নিমিত্ত আমরা সৃষ্ট; সেগুলি ঈশ্বর পূর্ব্বে প্রস্তুত করিয়াছিলেন, যেন আমরা সেই পথে চলি" (ইফিষীয় ২:১০)।
১১. ঈশ্বরকে গভীরভাবে জানা হলো শক্তিশালী হওয়ার গোপন রহস্য
"যে প্রজারা ঈশ্বরকে জানে, তাহারা বলবান হইয়া কার্য্য করিবে" (দানিয়েল ১১:৩২)
১২. পুরাতন নিয়মের চেয়ে নতুন নিয়ম অনেক বেশি উত্তম
"প্রভু যীশু এক শ্রেষ্ট নিয়মের মধ্যস্থ হইয়াছেন" (ইব্রীয় ৮:৬)।
১৩. আমরা যদি ঈশ্বর-ভক্তিপূর্ণ জীবনযাপন করি, তবে আমাদের তাড়না সহ্য করতে হবে
"যত লোক ভক্তিভাবে খ্রীষ্ট যীশুতে জীবন ধারণ করিতে ইচ্ছা করে, সেই সকলের প্রতি তাড়না ঘটিবে।" (২ তীমথিয় ৩:১২)
১৪. ঈশ্বর যাদের গ্রহণ করেছেন, আমাদেরও তাদের গ্রহণ করতে হবে
"এখন ঈশ্বর অঙ্গ সকল এক এক করিয়া দেহের মধ্যে যেমন ইচ্ছা করিয়াছেন, সেইরূপে বসাইয়াছেন... যেন দেহের মধ্যে বিচ্ছেদ না হয়" (১ করিন্থীয় ১২:১৮,২৫)।
১৫. প্রতিটি মানুষের সাথে আমাদের মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করতে হবে
"আমরা প্রভু পিতার ধন্যবাদ করি, আবার ঈশ্বরের সাদৃশ্যে জাত মনুষ্যদিগকে শাপ দিই। হে আমার ভ্রাতৃগণ, এমনটা হওয়া অনুচিত" (যাকোব ৩:৯,১০)।
১৬. আমাদের সমস্ত প্রয়োজনে ঈশ্বরের ওপর নির্ভর করতে হবে
"আমার ঈশ্বর গৌরবে খ্রীষ্ট যীশুতে স্থিত আপন ধন অনুসারে তোমাদের সমস্ত প্রয়োজনীয় উপকার পূর্ণরূপে সাধন করিবেন" (ফিলিপীয় ৪:১৯)।
পরিশিষ্ট: পূর্ণকালীন খ্রীষ্টান কর্মীদের অর্থ-সংক্রান্ত বিষয়ে ১০টি "কখনোই না"-র তালিকা:
১. ঈশ্বর ছাড়া অন্য কারও কাছে নিজের আর্থিক প্রয়োজনের কথা কখনোই প্রকাশ করবেন না (ফিলিপীয় ৪:১৯)।
২. অবিশ্বাসী বা যারা বিশ্বাসী নয়, তাদের কাছ থেকে কখনোই অর্থ গ্রহণ করবেন না (৩ যোহন ৭)।
৩. কারও কাছ থেকে কোনো উপহার পাওয়ার আশা কখনোই করবেন না (গীতসংহিতা ৬২:৫)।
৪. অর্থ প্রদানের মাধ্যমে কেউ আপনাকে নিয়ন্ত্রণ বা আপনার পরিচর্যার কাজে প্রভাব বিস্তার করুক-এমনটা কখনোই হতে দেবেন না।
৫. যারা আপনার পরিচর্যা গ্রহণ করে না, তাদের কাছ থেকে কখনোই অর্থ নেবেন না।
৬. আপনার চেয়ে দরিদ্র কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক প্রয়োজনে কখনোই অর্থ গ্রহণ করবেন না।
৭. আর্থিক প্রয়োজনে কখনোই কোনো মানুষের ওপর নির্ভরশীল হবেন না।
৮. ঈশ্বরের অর্থ এমনভাবে পরিচালনা করবেন না যাতে অন্যদের মনে তা অপব্যবহার বা অব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি করে (২ করিন্থীয় ৮:২০,২১)।
৯. অর্থ পেলে কখনোই অতিরিক্ত উত্তেজিত বা উচ্ছ্বসিত হবেন না।
১০. অর্থ হারালে কখনোই হতাশ বা বিষণ্ণ হবেন না।